রিয়াদের সাথে মিরাজও সেজদায়, কিন্তু কেনো?

চলমান ঢাকা টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ফলোঅন না করিয়ে ২১৮ রানের লিড নিয়ে বুধবার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে মাত্র ২৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।

তবে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ এবং মোহাম্মদ মিঠুনের ১১৮ রানের জুটিতে খেলায় ফেরে বাংলাদেশ। ৬৭ রানে ফেরেন মিঠুন। ব্যক্তিগতভাবে ১০১ রান করে ৬ উইকেটে ২২৪ রান নিয়ে ইনিংস ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ দল।

আর সেঞ্চুরি করার পরই শুকরিয়া আদায়ে সেজদা দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সেঞ্চুরি করে সিজাদার ইতিহাস নতুন নয়। তবে রিয়দের দেখাদেখি সেজদা দিলেন ২৭ রানে অপরাজিত থাকা মেহেদী হাসান মিরাজও।

এ নিয়ে মিরাজের কাছে জানতে জানতে চাওয়া হলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘একটা জিনিস দেখেন অনেক দিন ধরে আমাদের ব্যাটসম্যানরা রান পাচ্ছিল না। কিন্তু এই ম্যাচটায় আমাদের অনেক প্রাপ্তি ছিল। দেখেন যে মুশফিক ভাই ডাবল (২১৯) সেঞ্চুরি করেছে। তারপরে মুমিনুল ভাই (১৬১) দেড়শ করেছে, রিয়াদ ভাই (১০১) সেঞ্চুরি করেছে, মিঠুন (৬৭) ভাই এবং আমি (৬৮) ফিফটি করেছি।’

মিরাজ বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে যে, আমাদের ব্যাটসম্যানরা রানে ফিরেছে এবং ওদের ওপর ডমিনেট করছি। এটা কিন্তু দলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ যে ব্যাটসম্যানরা যদি রান করে, ডমিনেট করে তাহলে দল অনেক ভালো খেলে। তো এই খুশিতে সেজদাটা দেয়া। আসলে খুব ভালো লেগেছিল। নিজের অনুভূতিটা ধরে রাখতে পারিনি। তাই রিয়াদ ভাইয়ে সঙ্গে আমিও সেজদা দিয়েছি।’

উল্লেখ্য, এই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি (২১৯), মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি (১৬১) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের (৬৮) ফিফটিতে ৫২২ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, ব্রান্ডন টেইলরের (১১০) সেঞ্চুরি, পিটার মুর ও ব্রায়েন চারির ৮৩ এবং ৫৩ রানে ভর করে ৩০৪ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ দলের হয়ে ৫ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম। ৩ উইকেট নেন মিরাজ।

৪৪৩ রানের চ্যালেঞ্জে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৭৬ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। জয়ের জন্য তাদের বৃহস্পতিবার শেষ দিনে ৩৬৭ রান করতে হবে। হাতে আছে ৮ উইকেট। আর এই ৮ উইকেট শিকার করতে পারলেই জয় বাংলাদেশের।