খাশোগি হত্যায় পাঁচজন সৌদি কর্মচারীর ফাঁসি

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের দাবি করেছে। আজ বৃহস্পতিবার রিয়াদে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল সৌদ আল মোজেব রিয়াদে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন।

সৌদি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, খাশোগিকে হত্যার তিন দিন আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা করে খুনিরা। এরপর গত ২ অক্টোবর ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে খাশোগিকে ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। এর এক পর্যায়ে খুন করা হয় তাকে। পরে তার লাশ টুকরো করে কনস্যুলেটের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।


তিনি আরও জানান, খাশোগি হত্যায় সন্দেহভাজনের সংখ্যা ২১ জনে পৌঁছেছে। ১১ জনকে চিহ্নিত করে তাদের আদালতের মুখোমুখি করা হয়েছে। পাঁচজনের শিরশ্ছেদ চাওয়া হয়েছে। ওই পাঁচজন কনস্যুলেটে ‘আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর’ খাশোগিকে ওষুধ প্রয়োগ ও টুকরো টুকরো করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।


তবে তুরস্কের তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদের আগেই সন্দেহভাজনদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারে সৌদি আরব, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তুরস্ক। খাশোগি সৌদি আরবের প্রভাবশালী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কঠোর সমালোচক ছিলেন।

বুধবার এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে তুরস্ক। ইতিমধ্যে সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বেশ কিছু দেশে খাশোগি হত্যার অডিও রেকর্ড পাঠিয়েছে আঙ্কারা।

তবে তুরস্কের তদন্তকারীরা প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে, সৌদি আরব থেকে বিশেষ বিমানে আসা ১৫ জনের একটি দল, ধারণা করা হচ্ছে যারা যুবরাজ সালমানের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা, তারাই খাশোগিকে হত্যার পর মরদেহ সরিয়ে ফেলে।