অবশেষে খালেদা জিয়ার শুনানির চূডান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ

[su_heading size=”19″]খালেদা জিয়ার শুনানিতে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে রায় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। [/su_heading]

দলের পক্ষ থেকে বগুড়া-৬, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ তিনটি আসনে তার মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছিল।

মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরবর্তীতে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে বিএনপি’র পক্ষ থেকে আপিল করা হয়।

শনিবার (০৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনে ওই আপিলের শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় ইসি।

জ্যেষ্ঠ কমিশনার মাহবুব তালুকদার খালেদার মনোনয়ন বৈধ বলে রায় দিলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য তিন কমিশনার আপিলের বিরুদ্ধে রায় দেন।

এর আগে দুপুরে তিনটি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বৈধতা প্রশ্নে শুনানি শুরু হয়।খালেদা জিয়ার আইনজীবি এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ বিএনপির ১৫-২০ জন আইনজীবি শুনানিতে অংশ নেন। শুরুতেই নির্বাচনী বিধিমালা নির্বাচন কমিশনের হাতে তুলে দেন আইনজীবিরা। কোন আপরাধে খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, সেটি উপস্থাপন করে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, নির্বাচনী আচরবিধি ভঙ্গের দায়ে খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা বাতিল করা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। কিন্তু খালেদা জিয়া এখন জেলে আছেন। শুনানি শেষে রায়ের জন্যে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত অপেক্ষায় রাখেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে যতগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সবগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। তবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বয়কট করেছিল বিএনপি। নির্বাচনে খালেদা জিয়া কখনোই পরাজিত হননি।

১৯৯১ সাল থেকে শুরু করে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনটি সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়া প্রতিবারই পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন এবং সবগুলো আসনে তিনি জয়লাভ করেছেন। এরপর ২০০৮ সালে খালেদা জিয়া তিনটি আসনে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করে তিনটিতে জয়ী হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।