ড. কামালের সিইসির পদত্যাগ দাবি নির্বাচন ভন্ডুলের অপকৌশল : নানক

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের জাতীয় নির্বাচনের তিন দিন আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)’র পদত্যাগ দাবী নির্বাচন ভন্ডুলের অপকৌশল মাত্র।


তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের তফশিল ঘোষনার আগে থেকেই ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপি-জামায়াতের নেতারা নির্বাচনকে ভন্ডুলের নানা অপকৌশল অবলম্বন করে আসছে। নির্বাচনের তিন দিন আগে তাদের এ ধরনের দাবি নির্বাচন ভন্ডুলের অপকৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়।’
আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত দলের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিজ্ঞাণ ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ ও উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়াসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন মঙ্ঘলবার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)’র সঙ্গে রীতিমত এক ধরনের মাস্তানী করেছেন। তিনি এ সময় দেশের পেশাদার পুলিশ বাহিনীকে নিয়েও অত্যন্ত অসম্মানজনক ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করেছেন।

https://www.sondesh24.com/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BF/

নানক বলেন, এর আগে তারা(ঐক্যফ্রন্ট) আমাদের গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক সেনাবাহিনীকে নিয়েও পরিকল্পিত মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। জাতি তাদের কাছে এ ধরনের মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য প্রত্যাশা করে না।
এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি-জামায়াত নেতারা নির্বাচন নিয়ে যে কি করতে যাচ্ছে তা দেশের জনগন ও আমরা বুঝতে পারছি না। কারণ তারা নির্বাচনে মাঠে নামছেন না, আবার বলছেন, শেষ পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে ভুন্ডুল করার জন্য ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির নেতারা বিভিন্ন ধরণের অপকৌশল অবলম্বন করছে। তারা পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সহায়তায় নির্বাচনকে ভুন্ডুল করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। তাদের এ ধরনের হীন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি মানুষকে সচেতন থাকতে হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে নানক বলেন, নির্বাচনে থাকা না থাকা কোন রাজনৈতিক দলের নিজেদের সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে নির্বাচন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি সরে গেলেও এ নির্বাচন এক তরফা হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তারা সরে গেলেও নির্বাচন অংশ গ্রহনমূলক ও প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে।
নানক বলেন, নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে বিএনপি-জামায়াত ও ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার, সন্ত্রাস ও সহিংসতা ও নাশকতার রূপ ততই উন্মোচিত হচ্ছে। রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে নগদ ৮ কোটি এবং ১০ কোটি টাকার চেকসহ বিএনপির নির্বাচনী পোস্টার ও বিএনপি নেতা তারেক রহমানের ছবিসহ র‌্যাবের কাছে আটক তাঁরই ধারাবাহিকতা মাত্র।
এ সময় তিনি বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরে আসারও আহবান জানান।