নতুন মন্ত্রিসভায় সব শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রতিনিধিত্বের সম্ভাবনা

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সাংসদরা আগামীকাল বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন। গতকাল প্রকাশ হয়েছে ২৯৮ আসনে নির্বাচিতদের গেজেট।

সূত্র মতে, আগামীকাল শপথ নেয়ার পর আগামী শনি অথবা রবিবার সরকার গঠন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রিসভায় কারা আসছেন, তা নিয়ে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-পর্যালোচনা। যদিও মন্ত্রিসভা গঠনের একক এখতিয়ার একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে কে কে বাদ যেতে পারেন, কারা থাকছেন, বা নতুন কারা আসছেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে কৌতূহল।

সূত্র মতে, পুরনোদের মধ্যে বর্তমান যারা আছেন তাদের মধ্যে বহাল থাকতে পারেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ওবায়দুল কাদের, মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আসাদুজ্জামান নূর, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, মুজিবুল হক, নারায়ণ চন্দ্র চন্দু, আ হ ম মুস্তফা কামাল, শাজাহান খান, মোস্তাফিজুর রহমান, আনিসুল হক, শাহরিয়ার আলম, জুনাইদ আহমেদ পলক, বীরেন শিকদার, এম এ মান্নান ও বীর বাহাদুর উসৈ শিং।

নতুন মুখ হিসেবে দেখা যেতে পারে শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. আবদুর রাজ্জাক, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবের হোসেন চৌধুরী, মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, শ ম রেজাউল করিম, ড. হাছান মাহমুদ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, শেখ সারহান নাসের তন্ময়, আবদুস সালাম মুর্সেদী, নাজমুল হাসান পাপন, ড. এ কে মোমেন, ধীরেন্দ্র নাথ সম্ভু, নাইমূর রহমান দূর্জয়সহ আরো কয়েকজনকে। এ ছাড়া বরাবরের মতো এবারো তৃণমূল থেকে নির্বাচিত সাংসদদের মধ্য থেকেও নতুন কাউকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে বলে জানা গেছে।

অপরদিকে টেকনোক্রেট কোটায় জাহাঙ্গীর কবির নানক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সৈয়দ আবুল হোসেন, আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, মোস্তাফা জব্বার, স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, তারানা হালিম প্রমুখের নাম শোনা যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিক ব্যক্তি ছাড়াও আইনজীবী, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, কৃষিবিদ, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, চিকিৎসক সব মিলিয়েই মন্ত্রিসভা গঠন করার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী চান সংসদ ও মন্ত্রিসভায় সব শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিত্ব থাকুক।