পৃথিবীর ভয়ঙ্কর কয়েকটি স্থান

পৃথিবীতে খুব কম সংখ্যক মানুষ আছে যারা ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন না। বৈচিত্র্যময় প্রকৃতিতে এমন সব স্থান রয়েছে যেখানে একবার গেলে বারবার যেতে ইচ্ছে করে। আবার এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে মানুষ যাওয়া তো দূরের কথা নাম শোনলেও আঁতকে উঠে।  শত ভয়ের পরেও কৌতুহলী মানুষ ছুটে যায় পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। আজকে জানাবো এমন কিছু জায়গা সম্পর্কে যেগুলো ভয়ঙ্কর জায়গা হিসেবে পরিচিত।

তুর্কমেনিস্তানের নরকের দরজা
তুর্কেমেনিস্তানের নরকের দরজা
তুর্কেমেনিস্তানের নরকের দরজা। ছবি : ইন্টারনেট

তুর্কমেনিস্তানের দরওয়াজ শহরের একটি প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রের নাম  ডোর টু হেল। ডোর টু হেল শব্দের অর্থ নরকের দরজা। ৬৯ মিটার ব্যাস এবং ৩০ ফুট দীর্ঘ এই জ্বালামুখ ১৯৭১ সাল থেকে জ্বলছে। পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর এই জায়গাটিতে মিথেন গ্যাসের বিস্তার রোধ করার জন্যে আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রথম দিকে ভূতত্ত্ববিদগণ কয়েক বছর পর আগুন বন্ধ হয়ে যাবে ভাবলেও ৭১ থেকে এখন পর্যন্ত আগুন জ্বলে যাচ্ছে। স্থানটি বর্তমানে পর্যটন স্থানে পরিণত হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে প্রায় ৫০হাজার পর্যটক এই স্থান পরিদর্শন করে।

ডেট ভ্যালি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ডেট ভ্যালি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ডেট ভ্যালি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ছবি : ইন্টারনেট

বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরিচিত ডেট ভ্যালি। ডেট ভ্যালি বা মৃত্যু উপত্যকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। পৃথিবীর সর্বোচ্চ তাপমাত্র ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ক্যালিফোর্নিয়ার এই স্থান থেকে রেকর্ড করে। বালুতে পরিপূর্ণ এই উপত্যকা দেখতে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ভীড় করে।

ক্যামেরুনের কিলার লেক
ক্যামেরুনের কিলার লেক
ক্যামেরুনের কিলার লেক। ছবি : ইন্টারনেট

কিলার লেক বা খুনি হ্রদ। ক্যামেরুনের অবস্থিত এই লেক থেকে নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে  সালফার এবং হাইড্রোজেনের সাথে মিশে যায়। এই গ্যাস ২৩ কিলোমিটার স্থান জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে ১৭০০ মানুষ এবং ৩৫০০ গবাদি পশু মারা যায়। NYOS আসল নাম হলেও স্থানীয়দের কাছে এটি কিলার লেক হিসেবে পরিচিত।