টোল দিয়ে উড়তে হবে আখতারুজ্জামান উড়ালসড়কে

[su_heading size=”20″]চট্টগ্রাম নগরের আখতারুজ্জামান চৌধুরী উড়ালসড়ক টোলের আওতায় আনা হচ্ছে।চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব পাঠাচ্ছে বলে জানা গেছে।[/su_heading]

সিডিএর চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম এ প্রসঙ্গে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফ্লাইওভার (উড়ালসড়ক) চালু হওয়ার পর প্রতি মাসে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা কেবল বিদ্যুৎ বিল আসছে। এ ছাড়া নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্য নিয়োগ করতে হবে। আর রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা প্রতি মাসে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা খরচ ধরেছি।’

আবদুচ ছালাম বলেন, ‘বিপুল অঙ্কের টাকার জোগান কোত্থেকে আসবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তাই টোল বসানোর বিষয়টি মাথায় এসেছে। কিন্তু আমরা চাইলে টোল বসাতে পারব না। আমরা প্রস্তাব পাঠাচ্ছি। মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত দিলে তা কার্যকর হবে।’

টোল বসানোর বিরোধিতা করে পরিবহন বিশেষজ্ঞ সুভাষ চন্দ্র বড়ুয়ার প্রশ্ন, ‘তাহলে এত বিপুল টাকা খরচ করে উড়ালসড়ক করা হলো কেন?’ তিনি বলেন, ‘উড়ালসড়কের রক্ষণাবেক্ষণের খরচের বোঝা জনগণের ওপর চাপালে আমি বলব এটি জনবান্ধব স্থাপনা নয়।’

সিডিএ সূত্র জানায়, উড়ালসড়কে ওঠার জায়গায় টোল ফটক করা হবে। নিয়মিত যাতায়াতের জন্য প্রিপেইড টোল কার্ড পদ্ধতি চালু হতে পারে। তবে লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত নির্মিতব্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে টোল থাকবে, যা প্রকল্প অনুমোদনের সময় বলে দেওয়া হয়েছে।