মাদকের তালিকায় সিসা, সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড

নতুন মাদকদ্রব্য আইনে সিসাকে মাদক হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এর আগে রাজধানীর বিভিন্ন সিসা লাউঞ্জে উঠতি বয়সীদের একটা অংশ সিসার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারত না মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নতুন আইনে মাদক সম্পর্কিত অপরাধ প্রমাণিত হলে ন্যূনতম এক বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও নগদ অর্থদণ্ড হতে পারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’ কার্যকর হয়েছে। এই আইনে কোনো ব্যক্তি সিসা গ্রহণ, সেবন, বহন, বিক্রি, সরবরাহ করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে, যা আগে সম্ভব ছিল না। এর ফলে সিসা ব্যবহার ও বিক্রি অনেকাংশে কমে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন আইনে সিসাকে মাদকদ্রব্যের ‘খ’ শ্রেণির তালিকায় রেখে সিসার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, সিসা অর্থ বিভিন্ন ধরনের ভেষজের নির্যাস সহযোগে ০.২ শতাংশে ঊর্ধ্বে নিকোটিন এবং এসেন্স ক্যারামেল মিশ্রিত ফ্রুট স্লাইস সহযোগে তৈরি যে কোনো পদার্থ।

নতুন মাদক আইনে সিসার পরিমাণের ওপর তিন ধরনের শাস্তির (ন্যূনতম এক বছরের দণ্ড থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর) বিধান রাখা হয়েছে।

এরমধ্যে মাদকদ্রব্যের পরিমাণ এক কেজি অথবা লিটার বা তার কম হলে অনূর্ধ্ব ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড; মাদকদ্রব্যের পরিমাণ এক কেজি অথবা লিটারের বেশি এবং পাঁচ কেজি বা লিটারের কম হলে অনূর্ধ্ব ৫ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড এবং পরিমাণ পাঁচ কেজি বা লিটারের বেশি হলে অনূর্ধ্ব ৫ বছর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড বিধান রাখা হয়েছে।