খালেদা জিয়ার পায়ে ফোঁড়া, আদালতে কাস্টরি ওয়ারেন্ট

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পায়ে ফোঁড়া উঠায় আদালতে হাজির করতে পারেনি কারা কর্তৃপক্ষ।তাকে আদালতে হাজির না করে আদালতে কাস্টরি ওয়ারেন্ট পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। পুরোনো ছবি।

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদাকে আজ (বুধবার) আদালতে হাজির করার দিন ধার্য ছিল। যেখানে উল্লেখ করা হয়, খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অসুস্থ, তাই তাকে আদালতে উপস্থিত করানো যায়নি।

আদালতের শুনানিতে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, খালেদা জিয়ার পায়ে ফোঁড়া ওঠায় তাকে আদালতে আনা সম্ভব হয়নি। তাই কারা কর্তৃপক্ষ কাস্টরি ওয়ারেন্ট পাঠিয়েছে। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানি করা যেতে পারে। তার কারণে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানি হচ্ছে না।

অপরদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার বলেন, আমরা জানতে পেরেছি খালেদা জিয়া অসুস্থ। তার অনুপস্থিতিতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির কোনো সুযোগ নেই।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক দিলদার হোসেন বলেন, হাইকোর্ট নির্দেশনা দিয়েছে মামলাটি ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করার।২৪ জানুয়ারি মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হলো। ঐ দিন সকল আসামির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

এর আগে ১০ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার জন্য প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (হাজিরা পরোয়ানা) জারি করেন পুরান ঢাকার আলিয়া মাদরাসা মাঠে অবস্থিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলদার। ওই দিন মামলার অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করেন। অপরদিকে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সময় আবেদনের বিরোধীতা করেন।

আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে খালেদাকে কারাগার থেকে আদালতে জারি করার জন্য প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেন এবং মামলাটির চার্জ গঠনের জন্য ১৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী সাবেক চার দলীয় জোট সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেফতার করা হয়।