ছাগল চুরির মামলায় আ.লীগ নেতা কারাগারে

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার এক আওয়ামী লীগ নেতা ছাগল চুরির মামলায় আসামি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বোড়াগাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনজুর আহমেদ ডনসহ আরো দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

ছাগল চুরির মামলার অপর দুই আসামি হলেন ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ি কাকতলী গ্রামের চন্দন রায় (২৬) ও একই গ্রামের মো. রাশেদ (২১)

সূত্র মতে, বুধবার বিকেলে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার দোহলা খাগড়াবাড়ি গ্রামের রইছুল ইসলামের (৪০) কালো রঙের একটি খাসি ছাগল মাঠ থেকে মোটরসাইকেলে তুলে দুই যুবক পালানোর চেষ্টা করলে ছাগলের মালিক ধাওয়া করে মিরজাগঞ্জ হাটে পৌঁছে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ আসার আগে ওই দুই যুবক কৌশলে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি সরিয়ে ফেললে চোরাই ছাগলসহ তাদের থানায় নেয়া হয়। রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে ডোমার থানায় মোটরসাইকেলের মালিক মনজুর আহমেদ ডনসহ তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ছাগলের মালিক রইছুল ইসলাম

রইছুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘ওই দুই যুবককে আটকের পর পুলিশ আসার আগে সেখানে উপস্থিত হয়ে বোড়াগাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোটরসাইকেলটি কৌশলে নিয়ে যায়। এ সময় ওই দুই যুবককেও নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে জানা যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি তার।’

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মনজুর আহমেদ বলেন, ‘তারা (চন্দন ও রাশেদ) আমার পরিচিত। জরুরি প্রয়োজনের কথা বলে আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়। আমি যেহেতু রাজনীতি করি তাদের কথা ফেলতে পারিনি। তাদের অপকর্মের দায় আমার না, তাদেরই।’

ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকছেদ আলী ব্যাপারী বলেন, ‘ছাগল চুরির সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি রাতে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনজনের নামে মামলা দায়ের হয়েছে।’