কাশ্মিরের জনগণের পাশে ওআইসি, ভারতের নিন্দা

ভারত সরকারের কাশ্মীর নীতির কঠোর সমালোচনা করে একটি প্রস্তাবনা অনুমোদন দিয়েছে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)।

শনিবার আবুধাবিতে ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

শুক্রবার ওআইসির সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ যোগ দেয়ার পরদিনই ওই প্রস্তাব অনুমোদন করে ইসলামিক দেশগুলোর সর্ববৃহৎ সংস্থা ওআইসি।

তবে ওআইসির এ প্রস্তাবের নিন্দা জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কাশ্মির ইস্যু একান্তই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

সুষমার যোগ দেয়ার পরদিনই ওআইসির সভায় গৃহীত প্রস্তাবে ভারতের কাশ্মীর নীতির কঠোর সমালোচনা করে বলা হয়, ২০১৬ সাল থেকে কাশ্মীরে ভারতীয় বর্বরতার তীব্রতা বেড়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ আটক ও গুম বেড়েছে বলে জানানো হয় ওআইসির প্রস্তাবে। ভারত নিরীহ কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে নির্বিচার বলপ্রয়োগ করছে বলেও অভিযোগ আনা হয় ওআইসির প্রস্তাবে।

সুষমার বক্তব্যের পরদিনই ওআইসির গৃহীত প্রস্তাবে ভারতের কঠোর নিন্দা জানানো হলেও আটক ভারতীয় পাইলট অভিনন্দন বর্তমানকে ফিরিয়ে দেওয়ায় পাকিস্তানের প্রশংসা করা হয়।

গত বুধবার ভারত-পাকিস্তান বিমান যুদ্ধের পর পাকিস্তানে আটক হন ওই ভারতীয় পাইলট। যুদ্ধ এড়িয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রশংসা করা হয় ওআইসি’র পক্ষ থেকে।

এ দিকে ওআইসির গৃহীত প্রস্তাবের নিন্দা জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাশ্মীর ইস্যুতে আমাদের অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সর্বজনবিদিত। আমরা আবারও নিশ্চিত করতে চাই যে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিভাজ্য অংশ এবং এটা ভারতের একান্তই নিজস্ব বিষয়।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে শুক্রবার ওআইসির সভায় যোগ দিয়ে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ওআইসি’র দেশগুলোকে এক যোগে কাজ করার আহ্বান জানান সুষমা স্বরাজ।