শ্বেত সন্ত্রাসবাদ কোনো হুমকি নয়: ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি শ্বেত সন্ত্রাসবাদকে উদীয়মান বা আসন্ন কোনো হুমকি হিসেবে দেখেন না। নিউজিল্যান্ডের দুটি মসজিদে উগ্র খ্রিস্টান সন্ত্রাসীদের গুলিতে ৪৯ জন মুসল্লি নিহত হওয়ার পর ট্রাম্প এ বক্তব্য দিলেন। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৫০ জন। তারমধ্যে ৩ জন বাংলাদেশী, ৬ জন পাকিস্তানি ও ৭ জন ভারতীয় রয়েছে। খবর সিএনএন, বিবিসি, হিন্দুস্থান টাইমস ও রেডিও তেহরান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি-সংগৃহিত।

হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান- তিনি শ্বেত সন্ত্রাসবাদকে উদীয়মান হুমকি হিসেবে দেখেন কিনা। জবাবে ট্রাম্প বলেন, “সত্যিই আমি মনে করি, এরা সংখ্যায় খুবই অল্প কিছু মানুষ, যাদের মারাত্মক সমস্যা আছে।”

আরও পড়ুন:

নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলাকারী ট্যারান্ট ট্রাম্পের ভক্ত

ট্রাম্পের এ বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন আমেরিকার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিবাসন নীতির কারণে পশ্চিমা  বিশ্বে উগ্র ডানপন্থি গোষ্ঠীগুলো ও শ্বেত-বর্ণবাদীরা উৎসাহিত হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, আমেরিকায় উগ্র চরমপন্থা বাড়ছে এবং দেশের ভেতরে ও বাইরে চরমপন্থিদের হামলার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায় নিতে হবে। তারা এও বলছেন যে, ট্রাম্পের নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে নিজেই শ্বেতবর্ণবাদের প্রতীক হয়ে দেখা দিয়েছিলেন।

গতকাল (শুক্রবার) নিউজ্যিলান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে ব্রেন্টন টেরেন্ট নামে এক সন্ত্রাসী হামলা চালায়। তবে বাইরে গাড়িতে তার কয়েকজন সহযোগী ছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গাড়ির ভেতরে থাকা সহযোগীদের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং শুধু ব্রেন্টনকে তুলে ধরা হচ্ছে। বাকী সহযোগী বা মাষ্টারমাইন্ডদের বিষয়ে কোন তথ্য দেয় নি নিউজিল্যান্ড পুলিশ।  বিবিসি এক সংবাদে বলা হয়, বাকী সহযোগীরা নির্দোষ বলেও দাবী করেছে নিউজিল্যান্ড পুলিশ।  এতে শ্বেত-সন্ত্রাসবাদীদের সংগঠিত অবস্থা আড়ালের চেষ্টা চলছে বলেই মনে করা হচ্ছে।