আমার অধিকারে থাকা শস্যভূমি : প্রিয়াঙ্কা চৌধুরী

১.

ছুরির মত ধারালো কিংবা আগুনের মত উত্তপ্ত কবিতা গুলো পড়ে
শিউরে ওঠাও এক জ্বালাতন।
অভ্যাসবশতঃ নাছোড় ইচ্ছে চেপে বসবে
অথচ তোমাকে পাঠাতে পারবো না।
কারণ তুমি বলবে ‘তোমার পাঠিকা চুরি হয়েছে’
আমার মনে প্রশ্ন জাগবে ‘আমি কি এতটাই পল্কা যে সহজেই চুরি হতে পারি?’
খানিকটা গর্ব হবে ‘আমি কি এতটা দামী যে সহসা চুরিও যেতে পারি?’
সন্দেহ হবে ‘আমার দৃঢ়তা সম্পর্কে তুমি এত কম জানো যে ভাবলে আমিও চুরি হয়ে যেতে পারি?’
শেষে অভিমান হবে ‘আমি কি তোমার পাঠিকা শুধু? শুধুই পাঠিকা তোমার?’

 


 

২.

আমার অধিকারে থাকা শস্যভূমি থেকে যোগান নিয়ে যাও।
পরিবর্তে দিন চেয়েছি, না রাত? নাকি আয়ু? বাড়িয়ো না।
শুধু সন্তর্পণে কয়েকটা শব্দ ছড়িয়ে দাও। খুটে খাই। খেয়ে বাঁচি। বেঁচে মরি।
দেহদান করি আগাছায়।
আপাতঃ প্রতীক্ষা সেরে হেমন্তের খবরে,অবসরে
ইথারে ইথারে ভেসে আয়নায় অবয়ব দেখতে না পেয়ে ভাবি
নাম নেই এখন আর। চরিত্র মাত্র!
হেমন্তের হিম পড়ে আগাছায়। দু’একটা শষ্প গুল্ম বাঁচতে চায়।
শব্দকুহক হেঁটে যায়, গাঢ় স্তব্ধতায়।
আবার অপেক্ষায়…