স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও মানুষের কথা বলার অধিকার নেই, গণতান্ত্রিক অধিকার নেই : ড. কামাল

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এ দেশের মানুষের কথা বলার অধিকার নেই, গণতান্ত্রিক অধিকার নেই। ৩০ ডিসেম্বর একটি ভুয়া ভোটের মাধ্যমে অবৈধ সরকার গঠিত হয়েছে। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর আমরা এমনটি আশা করিনি।

ড. কামাল বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য দেশ স্বাধীন হয়েছে। অথচ সেই গণতন্ত্রই এ দেশে অনুপস্থিত। এমন অবস্থা চলতে দেয়া যাবে না। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও দেশের মানুষকে ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করতে হচ্ছে। এবার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করা হবে নিজেদের অধিকার।’

ড. কামাল বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। দেশের মালিকানা জনগণের হাতে তুলে দেয়া হবে।’

গণফোরাম সভাপতি বলেন, ‘যে গণতন্ত্র আদায়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। দেশে এখন সেই গণতন্ত্র অনুপস্থিত। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর আমরা এমনটি আশা করিনি।’

তিনি বলেন, ‘শাসন ব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্রকে সংবিধানে স্বীকৃতি দিতে পেরেছি। সংবিধান অনুমোদনসহ অনেক কিছু অর্জন করলেও দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুরোপুরি গড়ে তোলা হয়নি। তাই আমরা অনেকগুলো ঘাটতি লক্ষ্য করছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে যে গণতন্ত্র, আমরা মনে করি, সেখানে অনেক ঘাটতি আছে। অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই সংসদ গঠন করতে পারবেন। যে সংসদ সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং জনগণের আশা পূরণ করবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করে এগুলো অবশ্যই আদায় করব।’