ট্রাম্পের শুল্ক নীতির কারণে বিপাকে ভোক্তা বাজার

আমেরিকায় নতুন বাণিজ্য নীতি কার্যকর হচ্ছে আজ (২৪ সেপ্টেম্বর)।ছবি:usatoday.com

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সাম্প্রতিক বাণিজ্য নীতিতে বলেছেন, চায়না থেকে বছরে ২০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানির উপর ১০% শুল্ক ধার্য করা হবে এবং তা ২৪শে সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। যা বেইজিংকে বাধ্য করবে আরো ভালো কোন প্রস্তাব উত্থাপন করতে। এটা সত্য হতেও পারে আবার নাও পারে। তবে যে ব্যাপারটা নিশ্চিত তা হলো, এই শুল্কনীতি আমেরিকান ভোক্তাদের মানিব্যাগের স্বাস্থ্যহানী ঘটাবে।

একটি সাম্প্রতিক কনজিউমার টেকনোলজি এসোসিয়েশন স্টাডি উল্লেখ করছে, সার্কিট এসেম্বলিস এণ্ড কানেক্টেড ডিভাইসের উপর ধার্যকৃত শুল্কের কারণে কনজিউমার ইলেক্ট্রনিকসের দাম ৩.২% থেকে ৬.২% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যান্য পণ্য যেমন যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র, পোশাকেও একইরকম করবৃদ্ধি ঘটবে।

এছাড়া প্রেসিডেন্টকে আমদানিকৃত গাড়ির শুল্ক বিবেচনা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কারণ আমদানিকৃত স্টিলএলুমিনিয়ামের উপর ধার্যকৃত কর দেশীয় গাড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা কমিয়ে দিয়েছে। যদি এটা হয় তবে ভোক্তাদের বেশ বড় এমাউন্ট পে করতে হবে, প্রতি গাড়িতে ৫০০০ ডলার।

চায়নার ক্ষেত্রে এমন কঠোর অবস্থানে আসার পেছনে যে যথাযথ কোন কারণ আছে তা নিশ্চিত। কারণ চায়না প্রতিবছর ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে যেখানে আমদানি করে প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া চীনে বাণিজ্যরত আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে কঠিন বাধার সম্মুখিন হতে হচ্ছে। সেই সাথে অসম বাণিজ্যনীতি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বানিজ্য করার অনুমতির বিপরীতে তাদের বিজনেস পলিসি শেয়ার করতে হচ্ছে।

সূত্র: USA Today