হারিকেন ‘ফণী’ লণ্ডভণ্ড করে দিতে পারে বাংলাদেশের দুটি অঞ্চল

বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণী। আগের তুলনায় আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠা ফণী ৪ মে আঘাত হানতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টি এর গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঠিক হতে পারে কোন এলাকা দিয়ে উপকূলে উঠে আসতে পারে। এটা সামান্য পূর্বদিকে সরে আসলেই বাংলাদেশের সুন্দরবন ও বরিশাল উপকূল দিয়ে উঠে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এটা প্রতিনিয়ত গতিপথ পরিবর্তন করে যাচ্ছে। আমেরিকান আবহাওয়া অফিস ফণী মডেল ও এর গতি সম্বন্ধে জানিয়েছে, উপকূলে উঠে আসার সময় ফণীর গতি হতে পারে ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার। যা হতে পারে অতি ধ্বংসাত্মক।

আবহাওয়াবিদরা জানান, বাংলাদেশের উপকূল থেকে এর দূরত্ব ধীরে ধীরে কমে আসছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ফণী ১২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এটি মাত্র ২০ কিলোমিটার এগিয়েছে।

এ কারণে দেশের সবগুলো সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মানুষ যেন সহজে স্মরণ রাখতে পারে সে জন্য ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়া হচ্ছে। ফণী নামটি বাংলাদেশের দেয়া। সাপের ফণা থেকে ফণী নামটি দেয়া হয়েছে। এর পরের যে ঘূর্ণিঝড়টি হবে এর নাম ঠিক করে রেখেছে ভারত। সে নামটি হবে বায়ু।