রাত পোহালেই রাবিতে সমাবর্তন, ছয় হাজার শিক্ষার্থী অপেক্ষায়

নিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দশম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাবিকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল আলোক সজ্জায়। সমাবর্তনের মঞ্চ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়ামে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তার জন্যে ক্যাম্পাসে লাগানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ রাবির ১০ম সমাবর্তন উদ্বোধন করবেন। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর এম. আব্দুস সোবহান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান আল-আরিফ। এরপর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ইমেরিটাস আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন বক্তব্য রাখবেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল’ ও ছাত্রদের জন্য জাতীয় নেতা ‘শহীদ এ এইচএম কামারুজ্জামান হল’ নামে দুইটি দশ তলা বিশিষ্ট আবাসিক হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন রাষ্ট্রপতি। হাসান আজিজুল হক ও সেলিনা হোসেনকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার (ডি-লিট) ডিগ্রি প্রদান করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ।

সাড়ে ১২টায় নিবন্ধিত গ্রাজুয়েটদের আসন গ্রহণ করবে এবং বিকেল ৩টায় সমাবর্তন শোভাযাত্রা বের করা হবে। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়ে স্নাতকোত্তর, এমফিল, পিএইচডি, এমবিবিএস, বিডিএস ডিগ্রি অর্জনকারীদের নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হয়। দশম সমাবর্তনে অংশ নিতে মোট ছয় হাজার নয় জন গ্রাজুয়েট নিবন্ধন করেছেন।

সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে বিকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনসহ বিভিন্ন শিল্পী গান পরিবেশন করবে।

রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় রাবি ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩০৪ হেক্টর জায়গা জুড়ে ৫টি উচ্চতর গবেষণা ইন্সটিটিউট, ৯টি অনুষদের অধীনে ৫৬টি বিভাগ রয়েছে। ছাত্রদের জন্যে ১১টি আবাসিক হল এবং ছাত্রীদের জন্য রয়েছে ৬টি আবাসিক হল। ১৯৬৯ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন রসায়ন বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা। ২০১৫ সালের ১৮ জানুয়ারি রাবির ৯ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

মি/ক/বা/স