কেউ আঘাত দিলে কষ্ট পাই, আমি একলা একলা কাঁদি : পরিকল্পনামন্ত্রী

মন্ত্রীরাও আর পাঁচ-দশজন সাধারণের মতোই দুঃখ-সুখের আবেগে জড়ানো মানুষ। তাঁদেরও আনন্দ আছে, আছে কষ্টও। কর্মীদের কাছে এমন আবেগের কথাই এবার জানালেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

১৯ জুন বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে এক কর্মশালায় যোগ দিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘আমার আচরণে আপনারা দুঃখ পাবেন না। আমি কাউকে আঘাত দিতেও চাই না, আঘাত পেতেও চাই না। কেউ আঘাত দিলে কষ্ট পাই, আমি একলা একলা কাঁদি। তারপরও আঘাত মাঝে মাঝে চলে আসে। আপনারা প্লিজ ভালো করে কাজ করেন। আর আমি যে কয়েকটা দিন আছি, দয়া করে আমাকে সাহায্য করেন। কী সাহায্য? গতিটা বাড়ানোর চেষ্টা করেন। আর কিছুই না।’

ডিজিটাল ডাটাবেজ সিস্টেম ও আর্কাইভ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এনইসি-একনেক ও সমন্বয় অনুবিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের পক্ষ থেকে ‘স্ট্রাক্চার অব দ্য ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ শীর্ষক কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনে উপস্থিত হয়ে কর্মীদেরকে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি কোনো জেদ করব না। আপনারা যে ধাঁচে কাজ করছেন, এটা অত্যন্ত টাইমার। বহুদিন যাবত এটা চলে আসছে। এখানে হাত দিয়ে আঙুল পুড়াতে চাই না।’

এছাড়া কর্মশালার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা সবাই বেতনভুক্ত কর্মচারী। এটাই আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ। এই বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমি আঁচ করতে পারছি। কারণ প্রায়ই দেখা যায়, ফিজিবিলিটি স্টাডি ছাড়াই প্রকল্প চলে আসে। আসলেও পরে খোঁড়া ফিজিবিলিটি, ভালোভাবে করে না। এ সম্পর্কে আগে আমাদের ধারণা পরিষ্কার হতে হবে, পরে ওদের পরিষ্কার হতে হবে।’

কর্মশালায় পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. নূরুল আমিন, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহসহ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।