৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ঘোষণা ইউনিক হোটেলের

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেড এবার নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ঘোষণা দিলো । নতুন এই বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মিত হবে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে, এবং ইউনিক হোটেল মেঘনাঘাটস্থ ইউনিক মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডে(Unique Meghnaghat Power Limited) প্রাথমিকভাবে ইকুইটি এর বিপরীতে ২৭২ কোটি টাকা দিবে ।

সামিট মেঘনা ঘাট পাওয়ার প্ল্যান্ট

৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রথম ধাপে ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেড এই সংক্রান্ত লেটার অফ ইন্টেন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (Bangladesh Power Development Board) এর কাছ থেকে । যৌথ মালিকানার এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউনিক হোটেলের সাথে আছে নেদারল্যান্ড ভিত্তিক গুয়ামা পিআর হোল্ডিংস (Guayama PR Holdings BV) এবং স্ট্রাটেজিক ফাইনান্স লিমিটেড (Strategic Finance Limited) । এক্ষেত্রে লিডিং পার্টনার হিসেবে ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেডের শেয়ার থাকছে ৬৫.০১% এবং যথাক্রমে গুয়ামা পিআর হোল্ডিংস (Guayama PR Holdings BV)এর ৩০% ও স্ট্রাটেজিক ফাইনান্স লিমিটেড (Strategic Finance Limited) এর ৪.৯৯% ।

বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড থেকে অনুমোদন অনুসারে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হবে ইউনিক হোটেলের নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে (Build-Own-Operate or BOO)  এবং ৬০০ মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র মূলত কম্বাইন্ড সাইকেল (Combined cycle) প্লান্ট এবং এতে গ্যাস অথবা আর-এলএনজি ব্যবহৃত হবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে । এবং উক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ইউনিক হোটেল ২২ বছরের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি পেয়েছে । এক্ষেত্রে গ্যাসের জন্য গ্যাস লাইন স্থাপন কিংবা সাবস্টেশান নির্মাণের কাজ কোম্পানী নিজ ব্যবস্থায় করবে ।

ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্টের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ঘোষণা

এক্ষেত্রে যদি গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হয় তাহলে ইউনিট প্রতি উৎপাদন খরচ পড়ে ২.৯৫৩৮ টাকা এবং যদি এলএনজি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হয় তাহলে ইউনিট প্রতি খরচ পড়ে ৫.৪৪৭৮ টাকা । কোম্পানীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্যাসের সংযোগের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুমোদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে ।

বাংলাদেশে এখন বিদ্যুতের চাহিদা ১৬০০০ মেগাওয়াটের মত এবং যা ২০২১ সাল নাগাদ ২৪০০০ মেগাওয়াটে উন্নিত হবে ।