তথ্য জালিয়াতির দায়ে ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা, ঘুম হারাম জাকারবার্গের

ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য জালিয়াতির দায়ে মার্কিন ফেডারেল ট্রেড কমিশনকে ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা দিয়ে ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ এখনো নির্লিপ্ত রয়েছেন। কিন্তু চারদিক থেকে যে চাপে তিনি পড়ছেন সেটিকে তার জন্য ‘অশনি সংকেত’ মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী বিজনেস ইনসাইডার বলছে, এত বড় জরিমানার পর জাকারবার্গের ‘নির্ঘুম রাতের’ সংখ্যা আরও বাড়বে। প্রতিষ্ঠানের ওপর তার একক আধিপত্য কমে যাবে।

গত কয়েক বছরে ফেসবুক কোম্পানির ওপর জাকারবার্গের ক্ষমতা নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছে। তিনি একাধারে কোম্পানির চেয়ারম্যান আবার সিইও। শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানের ডুয়েল-ক্লাস শেয়ার স্ট্রাকচার গড়তে যে ভোটিং পাওয়ার আছে সেটিও নিয়ন্ত্রণ করেন। এসব কারণে তাকে টেক দুনিয়ায় ‘একনায়ক’ বলা হয়।
ফেসবুক গত ১৫ বছরে কখনো এতটা বিপাকে পড়েনি। এবার ফেডারেল ট্রেড কমিশন তাদের নাকানি-চুবানি খাইয়ে দিল।

২০১৮ সালের মার্চে ফেসবুকের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কমিশন। গত বছরে ফেসবুক থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা নির্বাচনে প্রচারের কাজে লাগানোর অভিযোগ ওঠে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে।

অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় ফেসবুককে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার জরিমানার বিষয়টি কমিশনে অনুমোদন পায়।

ট্রেড কমিশন বলছে, ফেসবুককে স্বাধীন একটি প্রাইভেসি কমিটি করতে হবে। এই কমিটি অবশ্যই স্বাধীন মনোনয়ন কমিটি থেকে অনুমোদিত হতে হবে।

শোনা যাচ্ছে ফেসবুক এতে রাজি হয়েছে। যদি তাই হয়, তবে জাকারবার্গের ক্ষমতা অনেকটা কমে যাবে। নিজ ঘরে তিনি ‘প্রবাসী’ও হয়ে পড়তে পারেন!