বি`দ্রোহী প্রার্থীর জয়ে আ`লীগের দু’পক্ষে মতবিরোধ, সংঘ`র্ষে আহত ৫

বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার দিকে বরিশাল জেলা পরিষদের ৭ নম্বর (বাবুগঞ্জ) ওয়ার্ডের সদস্য পদে উপ-নির্বাচনে বি`দ্রোহী প্রার্থীর জয়ের পর আ.লীগের দু’পক্ষে সংঘ`র্ষে দু’পক্ষের অন্তত ৫ জন আ`হত হয়েছেন।

সূত্র মতে, উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে গণনা শেষে খবর পৌঁছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইসরাত জাহান তাপসীকে পরাজিত করে দলের বি`দ্রোহী প্রার্থী মাইনুল ইসলাম পারভেজ জয়ী হয়েছেন।

আরও পড়ুন: মিন্নির গ্রে`প্তার, রি`মান্ড ও জ`বানবন্দির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন

দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী এমদাদুল হক দুলাল এবং সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপন একে অপরকে দায়ী করে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে হাতা`হাতিতে লিপ্ত হন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খালেদ হোসেন স্বপন বলেন, সভাপতির ষড়যন্ত্রে মাধবপাশা ও রহমত ইউনিয়নের ভোটাররা ভোট না দেয়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী হেরেছেন। তিনি এর প্র`তিবাদ করেছেন মাত্র। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ত্যাগ করার পর সভাপতি দুলাল লোকজন নিয়ে বাবুগঞ্জে সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে বি`ক্ষোভ করে। এ খবর পেয়ে তার (সাধারণ সম্পাদক খালেদ হোসেন স্বপন) সমর্থকরা প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমত বাজারে পাল্টা বি`ক্ষোভ করেন।

তিনি বলেন, তিনি এ খবর পেয়ে রহমতপুরে এসে সমর্থকদের নিয়ে এলাকা ত্যাগ করার পর সভাপতি দুলাল রহমতপুরে এসে পাল্টা বি`ক্ষোভ করে। এ সময় রহমতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পদক মিলনকে মারধর ও তার পরিবহন কাউন্টার ভা`ঙচুর এবং আওয়ামী লীগ কর্মী নুরে আলমসহ কয়েকজনকে মা`রধর করেছে দুলালের সমর্থকরা।

আরও পড়ুন: দেশব্যাপী ছে`লেধরা সন্দেহে গ্রেফ`তার ৭০ শতাংশই বিএনপি-জামায়াতের: তথ্যমন্ত্রী

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী এমদাদুল হক দুলাল পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, সাধারণ সম্পাদক খালেদ হোসেন স্বপন ও তার পরিবার চিহিৃত স`ন্ত্রাসী। তার পরিবারের অ`ত্যাচারে অ`তিষ্ঠ হয়ে আগরপুর ও কেদারপুরের ভোটাররা আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তাপসীকে ভোট দেয়নি। স্বপন তার কর্মকাণ্ড ঢাকতে উল্টো অভিযোগ দিয়ে আমার ওপর হা`মলা করেছে।

রহমতপুরে কাউন্টার ভা`ঙচুর প্রসঙ্গে দুলাল বলেন, কাউন্টার পরিচালনাকারী মিলন চিহিৃত মা`দক ব্যবসায়ী ও স্বপনের পালিত স`ন্ত্রাসী। ওই কাউন্টারে বসেই স্বপন আমার বিরুদ্ধে বি`ক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছে। এ কারণে ক্ষুদ্ধ জনতা কান্টউন্টারটি ভা`ঙচুর করে।

বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি দিবাকর চন্দ্র দাস বলেন, জেলা পরিষদের সদস্য পদে উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে কিছুটা ঝা`মেলা হয়েছিল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।