সীমান্ত দিয়ে গরু আসায় এবারও লোকসানের আশঙ্কা খামারিদের

আসন্ন ঈদে চাহিদার চেয়ে বেশি দেশীয় গরু থাকলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে গরু আসায় গত বছরের মতো এ বছরও লোকসানের আশঙ্কা করছেন দেশীয় খামারিরা। 

এদিকে গরু আমদানির পাশাপাশি মা`দক ও অ`স্ত্র চো`রাচালান বেড়ে যাওয়ায় গত দেড় মাসে ১০ বাংলাদেশি রাখাল গুলিতে নি`হত হয়েছেন। 

আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনি বাড়ি ধ্বংস করে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে ইসরাইল: জাতিসংঘ

অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিট মালিক ব্যবসা চালু রাখতে টাকার লোভ দেখিয়ে রাখালদের গরু আনতে পাঠাচ্ছেন। আর এভাবে গরু আনতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে গত দেড় মাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১০ বাংলাদেশি রাখাল নি`হত হয়েছেন।

স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পরামর্শে পুষ্টিকর খাবার দিয়ে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে হৃষ্ট-পুষ্টকরণ করা হচ্ছে এসব গরু। ভারতীয় পাচার করা গরুর মত এরা ক্ষতিকর স্টেরয়েড জাতীয় ট্যাবলেট বা ইনজেকশন ব্যবহার করেন না। এবার গো-খাদ্যের দাম তেমন একটা না বাড়ায় এবং ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ হলে লাভের আশা করছেন খামারিরা। 

জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বিমর্ষী গ্রামের সুজন মিঞা জানান, বছরে একটি গরু পালন করতে খরচ হয় ৮৪ হাজার টাকা। তার খামারে বতর্মানে ৪০টি গরু রয়েছে। 

আরও পড়ুন: মুসলিম ফুটবলার মেসুত ওজিলের ওপর সশস্ত্র হামলা

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্র মতে, জেলার ৫ উপজেলায় ছোট-বড় ও পারিবারিকভাবে ১২ হাজার ৬২৪টি খামারে ৮৭ হাজার ৯৫৪টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। যার মধ্যে ষাঁড় ২১ হাজার ৩৮৭টি, বলদ ১৩ হজার ৮১৪টি, গাভী ১১ হাজার ২৫১, মহিষ ৩ হাজার ৫৮, ছাগল ২৭ হাজার ৬৭৫টি ও অন্যান্য পশু রয়েছে ১১টি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোরবানির ঈদে পশুর চাহিদা ১ লাখ ৫৮ হাজারটি। কিন্তু জেলার খামারিদের কাছেই ৮৭ হাজার ৯৫৪টি গবাদিপশু আছে জানিয়ে এ বছর ভারতীয় গরু না এলেও কোরবানির পশুর সং`কট হবে না বলে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্র জানায়।