চ্যালেঞ্জিং স্কোরের মুখে টাইগাররা

কুশল পেরেরার সেঞ্চুরিতে ৩১৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে শ্রীলংকা। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম খেলায় জয় পেতে হলে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন দলটিকে ৩১৫ রান করতে হবে।

আরো পড়ুন – ভারতের বিরুদ্ধে ছায়া যুদ্ধের সক্ষমতাও নেই পাকিস্তানের: ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

শুক্রবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক শ্রীলংকা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। ৩২ মাস পর দলে ফিরেই শুভ সূচনা এনে দেন শফিউল ইসলাম। তার বলে ফাস্ট স্লিপে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন লংকান ওপেনার অভিস্কা ফার্নান্দো। দলীয় ১০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙে শ্রীলংকার।

ভালো শুরুর রেশ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে দিমুথ করুনারত্নের সঙ্গে জুটি গড়ে তোলেন কুশাল পেরেরা। তাদের জুটিতে প্রথম ১০ ওভারে শ্রীলংকা করে ১ উইকেটে ৭৭ রান। টাইগার বোলারদের তুলোধুনো করে এই জুটিতে তারা যোগ করেন ৯৭ রান।

ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার অফ স্পিনে ফাইন লেগে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন লংকান অধিনায়ক করুনারত্নে। তার আগে ৩৭ বলে ৩৬ রান করেন তিনি।তার বিদায়ে ১৫ ওভারে ১০৭ রানে দুই উইকেট হারায় শ্রীলংকা।

এরপর কুশল মেন্ডিসকে সঙ্গে নিয়ে ফের ১০০ রানের জুটি গড়েন পেরেরা। এই জুটিতেই ৮২ বলে শতরানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। নিয়মিত বাউন্ডারি হাঁকিয়ে যাওয়া এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যানকে ক্যাচ তুলতে বাধ্য করেন সৌম্য সরকার। তার আগে ৯৯ বলে ১৭টি চার ও এক ছক্কায় ১১১ রান করেন পেরেরা।

অনবদ্য ব্যাটিং করে ফিফটির পথেই ছিলেন কুশল মেন্ডিস। তাকে মুশফিকের ক্যাচে পরিণত করেন রুবেল হোসেন। ৪৯ বলে ৪৩ রান করে ফেরেন মেন্ডিস। তার বিদায়ে ৩৪ ওভারে ২১২ রানে ৪ উইকেট হারায় শ্রীলংকা।

এরপর ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে যান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও রাহিরু থিরিমান্সেন।৩০ বলে ২৫ রান করা থিরিমান্নেকে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তবে ব্যাটিং চালিয়ে যান ম্যাথিউস। ইনিংস শেষ হওয়ার ৯ বল আগে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে মোস্তাফিজের বলে সাব্বিরের ক্যাচে পরিণত হন লংকান সাবেক অধিনায়ক ম্যাথিউস। তার আগে ৫২ বলে তিন চারে ৪৮ রান করেন তিনি।