কন্যা সন্তান বলেই কিডনি দিতে রাজি নন বাবা মা

কিডনি বিকল হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে এক কিশোরী। কিন্তু সন্তানকে বাঁচাতে ইচ্ছুক নন বাবা-মা। কন্যা সন্তান  বলেই কিডনি দিতে রাজি নন তারা।

দ্য স্টেটসম্যান আরও  জানায়, ভারতের বিহারের শেখপুরা জেলার পরিবারটি অর্থের অভাবে মেয়ের চিকিৎসা করতে পারছে না।

কিডনি প্রতিস্থাপনে প্রচুর খরচ। এখন একমাত্র সম্বল বাবা-মায়ের কিডনি। তাদের কেউ একজন একটি কিডনি দিলেই বেঁচে যায় মেয়ে। কিন্তু তারাও নিজ সন্তানকে কিডনি দিতে রাজি নন।

জানা যায়, কাঞ্চন কুমারী নামে কিশোরী এ বছর স্কুল মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়।

ফার্স্ট ডিভিশন পেয়ে প্রকাশ করে বাধভাঙা উচ্ছ্বাস। কিন্তু সেই খুশি অচিরেই হারিয়ে যখন অসুস্থ হয়ে সে হাসপাতালে ভর্তি হয়।

স্থানীয় হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কাঞ্চনকে নেওয়া হয় পাটনার ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স (আইজিআইএমএস) হাসপাতালে। সেখানে নিশ্চিত হওয়া যায়, তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

এখন কিডনি প্রতিস্থাপনে বিপুল অর্থ খরচ হবে জেনে  বাবা-মা মেয়ে আইজিআইএমএস থেকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে এসেছে আবার।

টাকার জন্য মেয়েকে বাঁচানো না গেলেও কিডনি দিতেও রাজি নন তারা।

কাঞ্চনের বাবা রমেশ রায় যাদব বলেন, “কে তাকে কিডনি দেবে। সে তো কন্যা সন্তান । ”  এমনকি মা’ও মেয়েকে কিডনি দিতে রাজি নন।

আরও অবাক করা বিষয় হচ্ছে, এই বাবা-মা চিকিৎসার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ফান্ড পেতেও আবেদন করছেন না। অথচ আগেও অনেকে চিকিৎসার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা পেয়েছে।