চালু হয়েছে ‘স্টপ ডেঙ্গু’ অ্যাপ

এডিস মশা বাংলাদেশে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে দিন দিন, এমন সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশের যেকোনো স্থানে মশার প্রজনন কেন্দ্র চিহ্নিত করতে ই-ক্যাব, ই-পোস্ট ও বিডি-ইয়ুথের উদ্যোগে ‘স্টপ ডেঙ্গু’ নামের একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় স্কাউট ভবনে অ্যাপটির উদ্বোধন করা হয়। এসময় সরকারের পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং আরও চারটি সংস্থার মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয় বলে ইউএনবি’র একটি খবরে বলা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।তিনি বলেন, “মশার প্রজনন কেন্দ্র ধ্বংসে ‘স্টপ ডেঙ্গু’ মোবাইল অ্যাপটি সিটি করপোরেশনকে সহায়তা করবে।”

এসময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার উপর গুরুত্বারোপ করেন আতিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “ডেঙ্গু মোকাবিলায় আমাদের ৩৬৫ দিন সচেতন থাকতে হবে। পাশাপাশি ৩৬৫ দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হবে। আগামী সোমবারের মধ্যে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র সন্ধানের লক্ষ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি এলাকায় ভাগ করে ডিএনসিসি জুড়ে একটি সমন্বিত অভিযান শুরু করা হবে। এডিশ মশার লার্ভা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের এখন একমাত্র রাজনৈতিক ইচ্ছা হলো দেশকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে মুক্ত করা”।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের এলজিআরডিমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, “ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং আমার ধারণা, এটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।”

সরকার ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করতে তার সম্পূর্ণ সামর্থ্যে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও এসময় জানান তিনি।

এর আগে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব), ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস), স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ (এইচএসডি), স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি), এটুআই এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সমঝোতা স্বাক্ষর করে।

এ সমঝোতার উদ্দেশ্য হলো সংক্রমিত রোগ প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রযুক্তির সহায়তায় নাগরিক পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে যে যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করা।