অতিরিক্ত ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবিতে বিজেপি যুবাদের আন্দোলনে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে

কলকাতায় বিজেপি যুব মোর্চা বিদ্যুতের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন করছে। এ আন্দোলনের অংশ হিসেবে কলকাতা ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কর্পোরেশন (সিইএসসি) অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল বের করে তারা। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে শহরের সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ। খবরঃ এনডিটিভি।

বুধবার সকালে সিইএসসি অভিমুখে মিছিল বের করলে লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ।

বিদ্যুতের উপর আরোপিত অতিরিক্ত ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবিতে সিইএসসি ভবন ঘেরাওয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি যুব মোর্চা। এ উদ্দেশ্যে বুধবার সকালে সিইএসসি অভিমুখে মিছিল বের করে দলটির নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ এসে পৌঁছলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে প্রথমে আটকাতে চেষ্টা করে।

এ সময় নেতা-কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে লিপ্ত হয়। তখন লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে কর্মীরা। এরপর মিছিল লক্ষ্য করে জলকামান, কাঁদানে গ্যাসের সেল প্রয়োগ করে পুলিশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অন্তত ৫০ জন বিজেপি সমর্থক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

রাজ্য বিজেপির পক্ষে ওই মিছিলে যুব মোর্চার সভাপতি দেবজিৎ সরকার ছাড়াও রাজ্য বিজেপির অন্যতম দুই সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এবং রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হুগলির বিজেপি সাংসদ ল‌কেট চট্টোপাধ্যায়। মিছিল থেকে রাজু বন্দোপাধ্যায়সহ একশর বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিজেপি যুব মোর্চার পক্ষ থেকে বলা হয়।

রাজু বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে কোন গণতন্ত্র নেই। সবাই জানে, তৃণমূল সরকার আসলে সঞ্জীব গোয়েংকা (গোয়েংকা গ্রুপ এর স্বত্তাধিকারি) চালান। কলকাতা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশন (সিইএসসি) এই গ্রুপের তত্ত্বাবধানেই পরিচালিত হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে অবশ্য লাঠিচার্জের ঘটনা অস্বীকার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শুধু ট্যাক্স তুলে নিতেই নয়, এমনকি মিটার রিডিংয়েও কারচুপি হচ্ছে বলে বিজেপির পক্ষ থেকে বহুদিন ধরে অভিযোগ করা হচ্ছে।