ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে শোভন-রাব্বানীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি

ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামী ৪ জানুয়ারি। দুর্নীতির দায়ে অপসারিত সংগঠনটির সাবেক সভাপতি রেজুওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনীতেও থাকার সুযোগ পাচ্ছেন না।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজন করা হয়েছে পুনর্মিলনীর। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

পুনর্মিলনীতে সংগঠনের সাবেক নেতারা বর্তমান নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন। কিন্তু চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অব্যহতি পাওয়া ছাত্রলীগের সাবেক দুই শীর্ষ নেতা রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ফলে তারা পুনর্মিলনীতেও থাকতে পারবেন না।

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, এ ব্যাপারে হাইকমান্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। হাইকমান্ড থেকেই তাদের (শোভন-রাব্বানী) আমন্ত্রণ জানাতে নিষেধ করা হয়েছে। তাই তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৬টায় সকল সাংগঠনিক ইউনিটে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, ৭টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কেক কাটা।

এছাড়া, ৬ জানুয়ারি সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাশে বটতলায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালন করা হবে। ৭ জানুয়ারি সকাল ১০টায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতার সামনে দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। পরে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয় কমিটির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় আর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে।