নেতাদের আটকে রেখেই কাশ্মীরে নির্বাচন ঘোষণা

শত শত রাজনীতিক ও নেতাকর্মীকে কারাগারে আটকে রেখেই জম্মু-কাশ্মীরে স্থানীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৫ মার্চ থেকে শুরু হবে পঞ্চায়েত ভোট।

বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা শালিন্দর কুমার বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরে নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর করা হয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ ও পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণার পর এই প্রথম কোনো ভোট হতে যাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরের ৩ সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ, ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিসহ বিরোধী দলগুলোর প্রায় সব শীর্ষনেতাই গৃহবন্দি।

এনডিটিভি জানিয়েছে, কাশ্মীরের গ্রাম পঞ্চায়েতে পঞ্চ ও সরপঞ্চে ১৩ হাজার আসন খালি রয়েছে। সেই আসনগুলোর জন্য পঞ্চায়েত ভোট হবে। ৮ দফায় হবে ভোট। ৫ মার্চ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত।

২০১৮ সালের নভেম্বর মাস থেকে জম্মু-কাশ্মীরের গ্রাম পঞ্চায়েতে ওই আসনগুলো খালি পড়ে রয়েছে। গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ করা হয়।

একই সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করে কেন্দ্র। তারপর থেকে উপত্যকাজুড়ে চলেছে উত্তেজনা। সংসদের ভেতরে ও বাইরে বিরোধীরা সরব হয়েছেন মোদি সরকারের বিরুদ্ধে।

২০১৮ সালে নির্বাচনে কাশ্মীরের দুটি দল ন্যাশনাল কনফারেন্স ও পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি অংশ নিয়েছিল। এবার সেই দুই দলেরই শীর্ষ নেতারা গৃহবন্দি। পঞ্চায়েত ভোটের আগে কি গৃহবন্দি নেতাদের মুক্তি দেবে প্রশাসন- এমন প্রশ্ন কাশ্মীরজুড়ে।