ওজন কমাতে যে পাঁচটা ফল আপনার প্রতিদিন খাওয়া উচিত

প্রোটিন জীবনের গঠনমূলক এক উপাদান। প্রোটিনের উপস্থিতিতে আমাদের শরীর এর বড় অণুগুলিকে অ্যামাইনো অ্যাসিড নামের ছোট ইউনিটে ভেঙে ফেলে। অ্যামাইনো অ্যাসিড মাংসপেশী তৈরি, সংযোগকারী টিস্যু এবং ত্বক গঠনে সাহায্য করে। প্রোটিন ওজন কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন প্রকার হরমোন যেমন জিএলপি-1, পিওয়াইওয়াই এবং সিসিকে’র মাত্রা বাড়ায় যা খিদে বাড়ায় এবং খিদের হরমোন গেরিলিনের মাত্রা হ্রাস করে। এতে খিদে কম পাওয়ায় ওজন হ্রাসে সহায়তা করে। প্রোটিনের সবচেয়ে প্রচলিত উৎস মাছ, মাংস, ডাল এবং ডিম। উচ্চ প্রোটিন এবং ওজন হ্রাসে সহায়ক কিছু ফল খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে আপনার খাদ্যকে আরো স্বাস্থ্যকর ও বৈচিত্র্যময় করে তোলে। আসুন এমন কিছু ফল সম্পর্কে জানা যাক।


পেয়ারা: প্রায় 100 গ্রাম পেয়ারাতে 260 মিলিগ্রাম প্রোটিন থাকে। পেয়ারাতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি, লাইকোপিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। যা ত্বকের জন্য ভালো এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য উপকারী। পেয়ারাতে থাকা পটাসিয়াম রক্ত ​​চাপের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। পেয়ারার জিআই সূচক কম এবং ফাইবারের মাত্রা প্রচুর। যার ফলে ডায়াবেটিকসের জন্য এটি একটি আদর্শ ফল।

খেজুর: খেজুরে ক্যালোরি কম। এছাড়া উচ্চ ফাইবার যুক্ত খেজুর ওজন হ্রাসের ক্ষেত্রে চমৎকার কাজ করে। শুকনো খেজুর হজমে সাহায্য করে। খেজুরে উচ্চ বিটা-ক্যারোটিন আক্সহে যা প্রখর দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখে এবং ত্বকের জন্যও ফলপ্রসূ। খেজুরের একশো গ্রামে প্রোটিন থাকে 140 মিলিগ্রাম।


প্রুনস: প্রুনস হল শুকনো পাম। 100 গ্রাম প্রুনসে 220 মিলিগ্রাম প্রোটিন থাকে। প্রুনসে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘এ’ আছে যা চোখের জন্য এই খুবই উপকারী। এছাড়া প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকায় প্রুনস হার্টের জন্য ভাল। প্রুনস হাড় এবং ত্বকের জন্য উপকারী।


অ্যাভোকাডো: রক্তচাপ স্থিতে অ্যাভোকাডো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটারি বৈশিষ্ট্য হার্টের জন্য উপকারী। এতে ওজন কমানোর অপরিহার্য ফাইবার আছে।

কাঁঠাল: কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘বি-6’ থাকে যা প্রোটিনের বিপাকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন ‘এ’ এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। কাঁঠালের মধ্যে উপস্থিত ফাইবার দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্ষুধা হ্রাস করে। এতে জাঙ্কফুড খাবার প্রবণতা কমে যায়।

সূত্র- এনডিটিভি