৯৯.৯৯% মানুষ মাদকের চেয়ে ভয়ঙ্কর চিন্তা রোগে আক্রান্ত

[su_heading size=”18″]এমন কোন নেশা আছে যে নেশাতে পৃথিবীর ৯৯.৯৯ % মানুষ আসক্ত? উত্তর একেক জনের একেক রকম হবে। হয়ত কেউ সঠিক উত্তর দিতে পারবেন না। উত্তর হচ্ছে ‘চিন্তা’। পৃথিবীতে এমন কোন মানুষ পাওয়া যাবে না যারা চিন্তা ছাড়া থাকতে পারেন।[/su_heading] মাদকে আসক্তির মতোই চিন্তা আমাদের শেষ করে দেয়। কেড়ে নেয় সুখ, শান্তি। আরামের ঘুম হারাম করে দেয়। পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ মাইন্ডের উপর নির্ভর করে চলে। আর মাইন্ডের পছন্দের খাবার হচ্ছে হচ্ছে চিন্তা। এক কথায় আমরা আমাদের মাইন্ডের দাসে পরিণত হয়েছি।

পৃথিবীর ৯৯.৯৯% মানুষকে মাইন্ডের দাসত্ব থেকে মুক্তি দিতে আজকে জানবেন চিন্তা মুক্ত থাকার কিছু উপায় সম্পর্কে।

১। মেডিটেশন করুন:

আমাদের মাইন্ড আমাদের যে ভাবে চালাচ্ছে আমরা ঠিক সে ভাবেই চলছি। মাইন্ড আমাদের নিজের ইচ্ছা মত পরিচালিত করছে। দিনে অন্তত ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের জন্যে হলেও মেডিটেশন করুন। প্রথম দিকে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট মেডিটেশন করা খুবই কঠিন। ২ মিনিট থেকে শুরু করুন। প্রতিদিন একটু একটু করে বাড়ান। কাজের চাপে আপনি খুব ব্যস্ত থাকলেও মেডিটেশনের জন্য একটু সময় রাখুন। মেডিটেশন করতে হলে আপনার দরকার হবে শুধুই আপনার মন। দিনে কিছুটা সময় নিজের মনটাকে একটু নীরবতা দিন অথবা শ্বাসপ্রশ্বাসের দিকে মনোযোগ দিন।

২। নিজের বর্তমান সময়টি কাজে লাগান:

আমরা সবাই অতীত নিয়ে আফসোস করি অথবা ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করি। অতীত এবং ভবিষ্যতের চিন্তা মাথা থেকে বিদায় করে দিন। কারণ যা অতীত হয়েছে এবং যা সামনে আসবে সব কিছুই বর্তমানের ফসল। ঠিক যে কাজটি করছেন সেটা ভালো ভাবে করুন। আপনার অতীত এবং ভবিষ্যৎ দুইটায় ভালো কাটবে। আফসোস এবং দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিবে। ৩। নিজের মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখুন:

আমরা সব সময় মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত হয়। মস্তিষ্ককে নিজের ইচ্ছা মত চালিত করতে পারি না। আমাদের সব চিন্তাই আমাদের মস্তিষ্কের ফসল। মস্তিষ্ক থেকে বের হওয়া চিন্তা বাদ দিয়ে নিজের আত্ম শক্তিকে জাগ্রত করুন। নিজের শক্তিকে কাজে লাগান।

৪।পছন্দের কাজগুলো করুন:

হয়ত ছোটো বেলায় গান শিখতেন বা ছবি আঁকতেন আপনি। বড় হওয়ার পর কাজের চাপে বা সংসারের বিভিন্ন ঝক্কি-ঝামেলায় এগুলো করা হয়ে উঠে না আর। মানসিক চাপের সময় এই পছন্দের কাজগুলো আবার শুরু করুন এবং কাজগুলোর মাধ্যমে নিজেকে সময় দিন।

৫। নিজেকে ব্যস্ত রাখুন:

আমাদের মস্তিষ্ক যখন অবসর পায় কোন না কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে থাকে। ব্যস্ত রাখুন আপনার মস্তিষ্ক।  হাত ব্যস্ত থাকে এমন কোন কাজ করুন যেমন গেম খেলুন বা কোন হস্তশিল্প তৈরি করুন। বলা হয়ে থাকে, “অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা।”